শ্যালিকা বিভ্রাট এবং একজন ধূসর গোধুলি

ধূসর গোধূ চায়না বধু চায় শুধু সব শ্যালিকা
চিকনা,মোটা,হোৎকা,পেটুক হোকনা নেহাত বালিকা!
গায়ের গড়ন শ্যামলা বরণ,ছাই রঙা বা হোক কালো
সবকিছুতেই বান্দা রাজি ধূসর গোধু লোক ভালো।
যতই মেয়ে হোক খরুচে ব্র্যান্ড ফেভারিট আরমানি
বাংলাদেশি খাস সিটিজেন কিংবা সুদূর জার্মানী
যেথায় এবং যেখানটাতেই থাক শ্যালিকার আস্তানা
যাইতে রাজি জানটা বাজি মন দিওয়ানা মাস্তানা।
কিন্তু বিপদ বউ ছাড়া এই শালীর কদর বুঝবে কে?
ধুসর গোধুর পক্ষ নিয়ে হট শ্যালিকাই খুঁজবে কে?
এই বিপদে হিমুর চোথা পারবে ভালো ফল দিতে
যেইনা ভাবা ধুসর গোধু উদ্যত হয় কল দিতে।
হাঁটু পানির দস্যু রাজি,”শর্ত সাথে এই মশাই,
রাজি আছো সব কামড়ে আধেক যদি ভাগ বসাই?”
ধুসর গোধু চক্ষু চড়ক গাছ হয়ে কয়, “হৈ মিয়া!!
এইডা কি আর মাল বিডিআর,ন্যায্য দামের খৈ মিয়া?”
হিমুরে বাদ, হঠাৎ করেই পড়লো মনে কনফুকে
ধূসর গোধু হামলে পড়ে মোবাইলের ফোনবুকে
চীনদেশি ভাব থাকেন ধরে কিন্তু মেড ইন বঙ্গেতে
সব শুনে কন ব্যস্ত ভীষণ নিঘাত তিথির সঙ্গেতে।
ধুসর গোধুর থার্ড নয়নেও মেঘ থমথম করলো কি?
ধূর,হতাশায় চোয়াল দুটো একটু ঝুলে পড়লো কি?
রুমাল চেপে চোখটা মুছে ,দাঁত কপাটি অস্থিমূল
ডায়াল করেন অন্য নং এ,এই বেচারার নাম শিমুল।
চিকনা গলার মধুর টোনে ভাবেন গোধু-ভুলতো না?
ও আচ্ছা,সাদাত শিমুল ননতো, ইনি সুলতানা!!
“ও আফাগো আর্জি আমার চাইছি অতি শিঘ্রী গ্রান্ট
শালীর খোঁজে চলছে সুইট ফিমেল এবং জিগরি হান্ট।
আপনি হবেন হেড বিচারক”,আফা বলেন-“ভাল্লাগে?
কত্তো রঙের ভালোলাগার জন্যে সাথে মাল লাগে”
পয়সা ফেলো আর না হলে চুল পরিমান নড়বোনা
শালীর খোঁজে তোমার কাজে ঘটকালিটাও করবোনা।
ধূসর গোধুর মনটা ধুধু,ভাবছে এখন করবে কি?
লজ্জা লাজের হেডটা খেয়ে অন্য ঘটক ধরবে কি?
নিজের এমন দুর্দিনে হায় সবাই হলো আজ ভিলেন
বুদ্ধি জানে একজনই আর সকল কাজের রাজ লীলেন!!
ফিটার,হিডেন লীলেন তখন দ্বিগুন এবং তিন গুনে
কাঁটছে সময় ব্যস্ত ভীষন উকুন বাঁছার দিন গুনে।
দ্রোহী ভাইও হেব্বি বিজি বউয়ের থালায় ভাত দিতে
বাসর রাতে জানলা চেপে আস্তে করে পাদ দিতে!!
হায়রে গোধু ভাবছে শুধু সবাই বিজি এমনে কি?
সব শ্যালিকাই হাত ছাড়া হয় করমু এখন ক্যামনে কি?
স্বপ্ন পূরণ হইলো না আর হতাশ হৃদয় লাশ ঘিরে
সব শালা আর সব দুলাভাই মুখ ঘুরালো পাশ ফিরে।
হট শ্যালিকার ড্রিম হারিয়ে ধূসর যখন উন্ন্যাসী
পেছন থেকে মুচকি হাসে সংসারে এক সন্ন্যাসী।
বিপ্লবদা সব শুনে কয়-good wishes সব দিলাম
চেষ্টা দেখে “জা ঝা” এবং আরেকটা বিপ্‌লব দিলাম!!
গুরু আমার শয্যাশায়ী কিছুই কি আর ভাল্লাগে?
ভাতের সাথে না লাগে ডাল,না তরকারী ঝাল লাগে।
খেলার এহেন কন্ডিশনে আনকোরা ফর-ম্যাট হাতে
পরিবর্তন করার আশায় নামছে মহিব ব্যাট হাতে।
ইনফিনিটি শালীর খোঁজে সার্চ শুরু হয় অলরেডী
শয্যাশায়ী গুরুর হাতেও ড্রিম পূরণের বল রেডী।
কি মুশকিল, এহেন সময় খেলা যদি স্টপ না হত!!
জানতে আরো সেন্ড আ মেইল,ডিরেক্টলি টু স্বপ্নাহত।

(ধূসর গোধুলি এবং সচলায়তনের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে মজা করে লেখা)

Advertisements

There are no comments on this post.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: