Archive for the ‘মজারু’ Category

চলবে মেশিন, চলবে!
জানুয়ারি 5, 2013


দুর্মুখেরা গুড় মুখে তে কত কথাই বলবে
সেসব কথায় কান দিলে কি জেবন যোবন চলবে?
সোনা পাখি, ময়না পাখি
কত কথাই কয়না পাখি
সাড়ে সাত আর ওয়ান এন হাফ এ
ময়না ঠিকই গলবে
চলবে মেশিন, চলবে!

শিগগিরই খুব হুজুর পাকের
কথাও ঠিকই ফলবে
জেলের ভেতর রেলের মত
চলবে মেশিন , চলবে! 😀

লিংক: http://wp.me/p1q3wI-JD

Advertisements

রাজাকার বধাবলী – ১৪ (ফীচারিং সুকুমার রায়)
জানুয়ারি 5, 2013


ফেসবুকেতে বন্ধু আমার লোকটি বড় শান্ত
তার যে এমন কঠিন ব্যারাম কেউ কখনো জানতো?
দিব্যি ছিলেন খোশ মেজাজে স্ট্যাটাস খানা ছেপে
একলা বসে কমেন্ট পড়ে হঠাৎ গেলেন ক্ষেপে।
গর্জে উঠে হাত পা ছুড়ে চোখটি করে গোল
করেন কমেন্ট – “সাবধানেতে , মুখটা তোদের খোল!”

কেউ সিরিয়াস কমেন্ট পড়ে, কেউ বলে – ধূর! ফুলিশ
কেউবা বলে – পোস্টখানা ভাই সাবধানেতে খুলিস!
ব্যাস্ত সবাই দেখতে কমেন্ট, লেখলো কে কী ওরে?
ফ্রেন্ড তখনো যায় চেঁচিয়ে – “খাইসি এবার তোরে!”
পেঁচিয়ে ত্যানা এক দলে কয় , তাও কী হয় সত্যি?
বুঝছে বাকি সবাই এটা মিথ্যে না এক রত্তি।
কেউবা এসে সামনে ধরে যুক্তি নামের আয়না
বন্ধু তাতে দেখেও বলে – কিছুই দেখা যায়না!
যাই ছুটে তার প্রোফাইল পানে, হচ্ছে কীসব ব্যাপার?
ওহ রিয়েলি! এই তাহলে কারণটা তার ক্ষ্যাপার!
ব্যাপারটা ভাই ভীষন জটিল, নয় যে মোটেও তুচ্ছ
বন্ধু আমার প্যান্ট ফুঁড়ে তার যাচ্ছে দেখা পুচ্ছ
স্ট্যাটাস ছিলো – ” যুদ্ধাপরাধ বিচার ঠিকই হবে
সবার সাথে আজ আমিও চাইছি বিচার , তবে..”
করলো কমেন্ট ত্যাদোড় ছেলে , ঘাড়টা করে ব্যাকা
“ঐ ছাগু, তোর লেজ খানা আজ যাচ্ছে ঠিকই দেখা!”
সেই যে শুরু , স্ট্যাটাস খানায় যাচ্ছে বয়ে Tide
লুকিয়ে রাখা ল্যাঞ্জা ইজ আ টাফ থিঙি টু হাইড!

রেগে আগুন, তেলে বেগুন বললো ছাগু তেড়ে –
“স্বচ্ছ আমি, আমাত্তে আর বুঝবে বেশি কে রে?”
হওনা যতই “স্বচ্ছ” তুমি, যতই প্যাঁচাও তেনা
লেজের ছাগু, লেজের ছাগী, তাই দিয়ে যায় চেনা।

( সুকুমার রায়ের “গোঁফ চুরি” থেকে অনুপ্রাণিত প্যারোডি )

উৎসর্গ: আমার অতি প্রিয় এক পুলিশ অফিসার বড় ভাইকে। সম্প্রতি কোর্টে বিশিষ্ট এক বরাহকূলশিরোমণিকে একান্তে পেয়ে যিনি জায়গামত রাম “চিপি” দিয়েছিলেন।

সুরঞ্জনা
নভেম্বর 1, 2010

সুরঞ্জনাকে অনেক ইনিয়ে বিনিয়ে বহুদিন বলার পর সে আমাকে একটা স্কেচ করে দিলো। সেটা দেখে অনেক বলাবলি করছে আমাকে নাকি দেখতে ড্রাকুলার মত লাগছে। কিংবা দাঁতটা মেজে দিতে ভুলে গেছে।

ছিন্নমস্তার অভিশাপ!

প্রতিশোধস্বরুপ আমিও সুরঞ্জনাকে একটা রাগী রাগী স্কেচ একে দিয়েছি। তবে ছবিতে নয়, ছড়ায়।

সুরঞ্জনা


রাগ করা তার পেশা এবং
রাগ করা তার শখ
রাগলে তিনি এক্কেবারে
“ সলিড এজ এ রক!”

রাগ দেখে বক কাক হয়ে যায়
কাক হয়ে যায় বক
প্রোফাইল পিকের কাপটা কাঁপে
ঠক্কা ঠকাস্ ঠক!

রাগ যদি হয় খাবার সময়
খান গিলে হেমলক
মিষ্টি হলে বলবে – কী ঝাল!
ঝাল হলে – উহ!, টক!

রাগলে খেলেন রাগবী,আবার
রাগলে করেন মক
সর্ব জ্ঞানী, রাগের রাণী
সুরঞ্জনা হক!

বিজয়-অভ্র
অগাষ্ট 26, 2010

[ শানে নুযুল: অনলাইনে যখন বিজয় – অভ্র নিয়ে তুমুল তোলপাড় চলছে আমি তখন জন্ডিসে হলুদ হয়ে নেট থেকে বহু বহু দূরে। সেই সময়ে লেখা ছড়াটা এই সময়ে এসে আর্কাইভ করে রেখে দিলাম ]

দেখে যারে তোরা সব, ওরে তোরা কই রে?
জব্বার কাগু কেন করে হৈ চৈ রে?
বের হয়ে আয় তোরা খুলে দ্বার খিড়কি
কাগুজীর শেষে তবে হলো ব্যামো মিড়কি?
নয় কেন পাছা চেপে এত তার নর্তন
প্যান্টখানা গেছে ফেঁটে? নাকি হলো কর্তন?
কাগুজীর হাগু তবে হচ্ছেনা কিলিয়ার ?
তাহলে তো কান্ডটা নেই মোটে Silly আর
চুপ! চুপ! বিড়বিড় করে কাগু কয় কি
ফুলকপি? বাঁধাকপি? বললো বিজয় কি?
কাকে যেন দেখে নেবে মেগা গিগা বাইটে
‘বিজয়’ এ সে জয়ী হবে ফুল কপিরাইটে

সবশুনে অবশেষে বোঝা গেল সব রে
ইয়ে তার মেরে গেছে নাবালক অভ্রে!

শুধোয় আবু বক্করে
মার্চ 7, 2010

পইড়া কঠিন চক্করে
বুঝলো আবু বক্করে
সর্বদা তা’ হয়না ভালো
করলে কিছু শখ করে

খুব যে আচানক করে
কইরা বিয়া বক্করে
দেখতেসে তার কইলজাটাতে
উচ্চ বিভব শক করে

বৌটা তাহার মক করে
রাত দিনই হট টক করে
পান থেকে চুন খসলে বলে
নয় সে পরিপক্করে

ঘরটা নিজের লক করে
বইসা ভাবে বক্করে
বিয়ের আগের সেই ব্যাচেলর
লাইফখানাই রক্করে!

কে কারে কি কয়?!
ফেব্রুয়ারি 27, 2010

ফকা বলে সাকারে
ভাল করে তাকারে!
আমি তোর বাবা হই
নই বড় কাকা রে!

সাকা বলে ফকারে
দিয়ে গালে টোকারে!
তোমারইতো এই আমি
বুড়ো ধেড়ে খোকা রে!

সাকা বলে গিকারে
ভাই আমার শিখারে!
কিভাবেতে ছবি আপ-
লোড করে ফ্লিকারে!

গিকা বলে ফকারে
দিয়ে মৃদু বকা রে
তোমারইতো বড় ছেলে
দেখো কত বোকা রে!

ফকা বলে গিকা রে
অনায়াস বিকারে
সাকা বেটা পারে কিছু?
মারে শুধু চিকা রে!

গিকা বলে সাকা রে
তোর মাথা ফাকা রে
ঘটে কিছু নাই বটে
আছে শুধু টাকা রে!

সাকা বলে গিকারে
কস তুই কি কারে
লাক ভালো কেউ তোরে
করিয়াছে নিকা রে!

ফকা, গিকা , সাকা রে
ঘাড় ত্যাড়া, বাঁকা রে
এ কথায় রাজি হলে
ঘাড়খানি ঝাকা রে!

টাইমপাস নাম্বার- ওয়ান
ফেব্রুয়ারি 27, 2010

আজকে গিয়া চায়ের দোকান
হইলো হাসি একান ওকান।

দেখতে পেয়ে টিটো ভাই
মুচকি হেসে আমায় বলে
এই একটু নিডো খাই!

টাশকি খেলাম আমি
এইটাকি পাগলামি?

তার কি গেছে ছিঁড়ে?
দিন দুপুরে রোজার দিনে
চা’র দোকানের ভীড়ে?

কিন্তু হঠাৎ একী?
একটু দূরেই দেখি

ভাইটু আমার জুনা
খুব আয়েশে হাড় চিবিয়ে
খায় খিচুড়ি ভুনা!

তাও বা হতো বেশ
হয় যদি এর শেষ
এইখানেতেই
কিন্তু টুইস্ট লাগলো আবার
সেইখানেতেই।

আসবো‍‍‍ যখন চলে
রকিবকে বাই বলে

ঠিক তখনই সানা ভাই
ডাইকা বলে- যা না ভাই
এক দৌড়ে ফ্রিজটা খুলে
মিষ্টি কিছু আনা ভাই!!

(ক্যাডেট কলেজ ব্লগের কয়েকজন কে নিয়ে মজা করে লেখা)

শ্যালিকা বিভ্রাট এবং একজন ধূসর গোধুলি
ফেব্রুয়ারি 27, 2010

ধূসর গোধূ চায়না বধু চায় শুধু সব শ্যালিকা
চিকনা,মোটা,হোৎকা,পেটুক হোকনা নেহাত বালিকা!
গায়ের গড়ন শ্যামলা বরণ,ছাই রঙা বা হোক কালো
সবকিছুতেই বান্দা রাজি ধূসর গোধু লোক ভালো।
যতই মেয়ে হোক খরুচে ব্র্যান্ড ফেভারিট আরমানি
বাংলাদেশি খাস সিটিজেন কিংবা সুদূর জার্মানী
যেথায় এবং যেখানটাতেই থাক শ্যালিকার আস্তানা
যাইতে রাজি জানটা বাজি মন দিওয়ানা মাস্তানা।
কিন্তু বিপদ বউ ছাড়া এই শালীর কদর বুঝবে কে?
ধুসর গোধুর পক্ষ নিয়ে হট শ্যালিকাই খুঁজবে কে?
এই বিপদে হিমুর চোথা পারবে ভালো ফল দিতে
যেইনা ভাবা ধুসর গোধু উদ্যত হয় কল দিতে।
হাঁটু পানির দস্যু রাজি,”শর্ত সাথে এই মশাই,
রাজি আছো সব কামড়ে আধেক যদি ভাগ বসাই?”
ধুসর গোধু চক্ষু চড়ক গাছ হয়ে কয়, “হৈ মিয়া!!
এইডা কি আর মাল বিডিআর,ন্যায্য দামের খৈ মিয়া?”
হিমুরে বাদ, হঠাৎ করেই পড়লো মনে কনফুকে
ধূসর গোধু হামলে পড়ে মোবাইলের ফোনবুকে
চীনদেশি ভাব থাকেন ধরে কিন্তু মেড ইন বঙ্গেতে
সব শুনে কন ব্যস্ত ভীষণ নিঘাত তিথির সঙ্গেতে।
ধুসর গোধুর থার্ড নয়নেও মেঘ থমথম করলো কি?
ধূর,হতাশায় চোয়াল দুটো একটু ঝুলে পড়লো কি?
রুমাল চেপে চোখটা মুছে ,দাঁত কপাটি অস্থিমূল
ডায়াল করেন অন্য নং এ,এই বেচারার নাম শিমুল।
চিকনা গলার মধুর টোনে ভাবেন গোধু-ভুলতো না?
ও আচ্ছা,সাদাত শিমুল ননতো, ইনি সুলতানা!!
“ও আফাগো আর্জি আমার চাইছি অতি শিঘ্রী গ্রান্ট
শালীর খোঁজে চলছে সুইট ফিমেল এবং জিগরি হান্ট।
আপনি হবেন হেড বিচারক”,আফা বলেন-“ভাল্লাগে?
কত্তো রঙের ভালোলাগার জন্যে সাথে মাল লাগে”
পয়সা ফেলো আর না হলে চুল পরিমান নড়বোনা
শালীর খোঁজে তোমার কাজে ঘটকালিটাও করবোনা।
ধূসর গোধুর মনটা ধুধু,ভাবছে এখন করবে কি?
লজ্জা লাজের হেডটা খেয়ে অন্য ঘটক ধরবে কি?
নিজের এমন দুর্দিনে হায় সবাই হলো আজ ভিলেন
বুদ্ধি জানে একজনই আর সকল কাজের রাজ লীলেন!!
ফিটার,হিডেন লীলেন তখন দ্বিগুন এবং তিন গুনে
কাঁটছে সময় ব্যস্ত ভীষন উকুন বাঁছার দিন গুনে।
দ্রোহী ভাইও হেব্বি বিজি বউয়ের থালায় ভাত দিতে
বাসর রাতে জানলা চেপে আস্তে করে পাদ দিতে!!
হায়রে গোধু ভাবছে শুধু সবাই বিজি এমনে কি?
সব শ্যালিকাই হাত ছাড়া হয় করমু এখন ক্যামনে কি?
স্বপ্ন পূরণ হইলো না আর হতাশ হৃদয় লাশ ঘিরে
সব শালা আর সব দুলাভাই মুখ ঘুরালো পাশ ফিরে।
হট শ্যালিকার ড্রিম হারিয়ে ধূসর যখন উন্ন্যাসী
পেছন থেকে মুচকি হাসে সংসারে এক সন্ন্যাসী।
বিপ্লবদা সব শুনে কয়-good wishes সব দিলাম
চেষ্টা দেখে “জা ঝা” এবং আরেকটা বিপ্‌লব দিলাম!!
গুরু আমার শয্যাশায়ী কিছুই কি আর ভাল্লাগে?
ভাতের সাথে না লাগে ডাল,না তরকারী ঝাল লাগে।
খেলার এহেন কন্ডিশনে আনকোরা ফর-ম্যাট হাতে
পরিবর্তন করার আশায় নামছে মহিব ব্যাট হাতে।
ইনফিনিটি শালীর খোঁজে সার্চ শুরু হয় অলরেডী
শয্যাশায়ী গুরুর হাতেও ড্রিম পূরণের বল রেডী।
কি মুশকিল, এহেন সময় খেলা যদি স্টপ না হত!!
জানতে আরো সেন্ড আ মেইল,ডিরেক্টলি টু স্বপ্নাহত।

(ধূসর গোধুলি এবং সচলায়তনের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে মজা করে লেখা)

হেল্প! হেল্প !!
ফেব্রুয়ারি 27, 2010

এতো দেখি বড় মুশকিলে কথা
সংগে জুড়েছে চিন্তা
মেল খুলে দেখি লাভ ইউ বলেছে
বম্বের প্রীতি জিনতা।

ওদিকে আবার অনুরোধ নামা
পড়ে আছে গোটা বিশটে
ওরা নাকি সব ঠাই পেতে চায়
ফেসবুকে ফ্রেন্ডস লিস্টে।

আমিতো পড়েছি ভীষণ বিপদে
কোনটাকে ছেড়ে কোনটা
দিয়ে দেব মোস্ট ভ্যালুয়েবলের
ভালোবাসা ভরা মনটা।

যদি ভেবে নেন এখানেই শেষ
কিন্তু আসলে শেষ না
আরো গোটা চার নায়িকা আমার
ঝুলে রয়েছে, বেশ, না?

পাড়া প্রতিবেশী কুলসুম বিবি,
আবারো বলেছে বন্যা
শাহেদের বোন সুমিও, রয়েছে
হাজী সাহেবের কন্যা।

আমিতো আবার ভীষণ দয়ালু
আসলেই আহা! ভান না
কিছুতেই মন সইতে পারেনা
বিডি ললনার কান্না।

চিন্তা করেছি সবার দিকেই
একটু তাকিয়ে হাসতে
সময় সুযোগ করে নিয়ে সব
গুলোকেই ভালবাসতে।

কাকে ছেড়ে love কাকে দেব ভেবে
ক্ষণে ক্ষণে যাই চুপসে
ডাকবো তবে কি এবার ফেলুদা
সংগে জটায়ু, তোপসে?

এখনওতো কিছু শিখতে পারিনি
ভাগ করা যায় মন কি?
তাহলে সেটাই করবো ভেবেছি
ভাইসাবেরা কন কি?

মুশকিলে দিনলিপি
ফেব্রুয়ারি 27, 2010

কদিন ধরেই স্বপ্নাহত’র
দিনগুলো যায় মুশকিলে
তাও যদি প্রাণ
পায় পরিত্রাণ
একশো টাকা ঘুষ দিলে।

কিন্তু তাতেও লাভ হবেনা
এই জেনে নেই হুশ দিলে
না পেয়ে থৈ, স্বপ্নাহতই
খাচ্ছে লেবেনচুষ গিলে।

উপায় খোঁজার স্বত্ত্বাধিকার
মার্কিনীদের রুশ দিলে
পারবে কি আনতে সল্যুশান
ওবামা আর বুশ মিলে?

স্বপ্নাহত সত্যিই এবার
ভীষণ রকম মুশকিলে।

সমস্যাটা খুব ক্রিটিক্যাল
উপায় চোখে ভাসছে না
এটুক পড়েই ঠিক অনেকেই
মুখ টিপে বেশ হাসছে, না?! (রেগেটং)

সত্যি বলি, এই কদিনেই
বেশ হয়েছে বাঁশ চেনা
ঠান্ডা লেগেও তাই বেচারা
একটুও আজ কাশছেনা।

এই ঝামেলা হয়নি আগে
এবার প্রথম, লাস্টে না
ফিউচারেতো হয়নি বটেই
কিংবা রিসেন্ট পাস্টে না।

শক্ত এমন রোগ সারাতে
লাগবে মামা, ভাস্তে না
তাই নিরুপায় খুঁজছে উপায়
ভীষণ জোরে, আস্তে না।

বলিই তবে স্বপ্নাহত
কি ভেবে আর হাসছে না
ক্লাশ টাইমে আগের মত
ঘুম ইদানীং আসছেনা। 😦

মানুষ!
ফেব্রুয়ারি 27, 2010

মানিই বা না মানি
আমরা হলাম প্রাণী!
ভীষণ রকম আল্লাদী আর
ভীষণ অভিমানী!

আমরা নাকি আবার
সব প্রানীদের সেরা!
কেউ যদি এর দ্বিমত করে
চলবে কঠিন জেরা!

কার বা এমন সাহস
কিংবা গলায় জোর
সামনে এসে বলবে হেসে
তুই তো ব্যাটা চোর!

তাই দেখো সবখানে
আমরা কাজের কাজী
আমরা চালাই, ওরা চলে
লাগবা নাকি বাজি?!

তারপরও তো ভীষণ
চিন্তা আসে মাথায়
ক্যান যে এমন হয় যে ভাবি
মুখ জড়িয়ে কাঁথায়!

আমার পাশের বাসায়
লোকটা যখন ক্ষুধায়!
ক্যামনে আমি মগ্ন তখন
সুর, শরাবী, সুধায়!

কিংবা ছেলে ঐ
কাঁপছে যখন শীতে
কেউ আসেনা এগিয়ে তাকে
একটা চাদর দিতে!

সত্যিই তো তাই
আমরা সবই পারি!
সকাল বেলায় ভাইকে বাঁচাই
দুপুর বেলায় মারি!

আমরা আবার লিখি
কত্ত রকম কথা
আমরা নাকি বিশ্ব নেতা
আমরা মানবতা!

চোখটা রেখে বেঁধে
আমরা ওড়াই ফানুস!
তাও তো মোরা সবার সেরা
আমরা হলাম মানুষ!!

%d bloggers like this: