রাজাকার বধাবলী – ১৯
অগাষ্ট 29, 2015

ফকা বলে সাকা রে
ডিসিশন পাকা রে!
রায়ে ভুল নেই কোন
দাঁড়ি, কমা, আকারে!

সাকা বলে ফকা রে
আমি বড় বোকা রে!
কত আশা করেছিনু
খেয়ে গেছি ধোঁকা রে!

গিকা বলে সাকা রে
মাথাখানি ঝাকা রে!
দ্যাখ ঠিকই যাবো বেঁচে
দুই ব্রাদা’ফাকারে!

সাকা বলে গিকা রে
ছবি টাঙা ফ্লিকারে!
মুক্তির দাবী নিয়ে
মার শুধু চিকা রে!

ফকা সাকা গিকা রে
কে যে কয় কী কারে!
শুনে হাসে মিটিমিটি
মাননীয় স্পীকারে!

কাটা গেছে কাদেরের দু’টো আঙুলই!
ডিসেম্বর 13, 2013

ফিরে যেতে দেখে সব ডলারের ঝোলা
ওয়ারসি, জন কেরি, বানকির পোলা
কেঁদে কেটে একাকার করে চার দিক
বলে – কেউ হাসিনাকে এসে মার দিক!
সব দেখে মিটিমিটি হাসে বাঙালি
কাটা গেছে কাদেরের দু’টো আঙুলই!

কাদের মোল্লার ফাঁসি
ডিসেম্বর 12, 2013

শেষ পরীক্ষায় নকল করে ভীষণ খুশি মোল্লা
ভাবলো ঠিকই একশো পাবে; পাইসে দু’খান গোল্লা!

রাজাকার বধাবলী – ১৮
ডিসেম্বর 11, 2013

ডীয়ার জাতিসংঘ!,
থাকতে সময় ছাইড়া দ্যান এই
খুনী জামাতের সংগ!

টেকাটুকা পাইলে বেশি
ভাড়ায় খাটান নিজের পেশী
ন্যায়ের বিচার দেখলে করেন
খুনসুটি আর রঙ্গ!
ডীয়ার জাতিসংঘ!

মানবাধিকার খুব ফলালেন
বাঁচাতে খুনি নাক গলালেন!
পারলে করেন নিজের বাপের
যাত্রাখানি ভঙ্গ!
ডীয়ার জাতিসংঘ!

রাজাকার বধাবলী – ১৭
ফেব্রুয়ারি 12, 2013

পিটা!
——————————

এই তো সময় শুদ্ধ করার বাপ দাদাদের ভিটা
সকাল বিকাল নিয়ম করে জামাত শিবির পিটা!

হইসে সময় নষ্ট অনেক কাঁঠাল পাতার চাষে
মাইর হবে জাস্ট সাউন্ড ছাড়া জাগরণের মাসে!

নামতা গুণে কররে শুরু – আলফা, গামা, বিটা
একাত্তরের ঝাল মিটিয়ে জামাত শিবির পিটা!

সম্প্রীতি আর সহিষ্ণুতা বঙ্গে আছে মিশে
এর বিরোধী চক্রকে আজ ফ্যাল রে মিজান পিষে !

এই দেশেতে সবাই সমান রাম, রহিম আর রীটা
ধর্ম বেঁচে ক্যাচাল করা জামাত, শিবির পিটা!

দেখলে ছাগু , পাইক্যা কাগু কন্ঠ ধরিস ঠেঁসে
আর রাজাকার ঠাঁই পাবেনা লাল সবুজের দেশে!

জোরসে বলে “তুই রাজাকার” নে তুলে নে ইটা
সকাল বেকাল ফূর্তি করে জামাত শিবির পিটা!

রাজাকার বধাবলী – ১৫
জানুয়ারি 5, 2013


বিদেশি “বন্ধু”দের প্রতি
———————————

খুব দরদী আপনি নাখোশ “সাচ্চা , মহান বীর ” বিচারে
( কই যে ছিলেন যখন তারা মারলো মানুষ নির্বিচারে ! )
কই যে ছিলেন একাত্তরে, কোথায় বসে? কার কোলেতে ?
বোনটা যখন সব হারালো, ফিরলোনা ভাই মা’র কোলেতে?

সব রাজাকার কীট নরকের , যোগ্য তারা ধিক শোনারই
আজ যে বড় তাদের ভেবে খোলেন প্রেমের ডিকশনারী ?
গোলমেলে খুব হয় হিসাবে যোগের ভেতর ভাগ গলালে
জানেন তো ব্রো নাক কাটা যায় বড্ড বেশি নাক গলালে ?
তাই বলি কি যতই করুন লবিং এ বা ওর ব্যানারে
যুদ্ধাপরাধ বিচার দাবী এক চুলও তাও সরবেনা রে
তারচে বরং যান ঘুমিয়ে , যেমনে ছিলেন একাত্তরে
চলছে বিচার , চলবে বিচার , এই জাতি আজ একাত্ন রে !

রাজাকার বধাবলী – ১৪ (ফীচারিং সুকুমার রায়)
জানুয়ারি 5, 2013


ফেসবুকেতে বন্ধু আমার লোকটি বড় শান্ত
তার যে এমন কঠিন ব্যারাম কেউ কখনো জানতো?
দিব্যি ছিলেন খোশ মেজাজে স্ট্যাটাস খানা ছেপে
একলা বসে কমেন্ট পড়ে হঠাৎ গেলেন ক্ষেপে।
গর্জে উঠে হাত পা ছুড়ে চোখটি করে গোল
করেন কমেন্ট – “সাবধানেতে , মুখটা তোদের খোল!”

কেউ সিরিয়াস কমেন্ট পড়ে, কেউ বলে – ধূর! ফুলিশ
কেউবা বলে – পোস্টখানা ভাই সাবধানেতে খুলিস!
ব্যাস্ত সবাই দেখতে কমেন্ট, লেখলো কে কী ওরে?
ফ্রেন্ড তখনো যায় চেঁচিয়ে – “খাইসি এবার তোরে!”
পেঁচিয়ে ত্যানা এক দলে কয় , তাও কী হয় সত্যি?
বুঝছে বাকি সবাই এটা মিথ্যে না এক রত্তি।
কেউবা এসে সামনে ধরে যুক্তি নামের আয়না
বন্ধু তাতে দেখেও বলে – কিছুই দেখা যায়না!
যাই ছুটে তার প্রোফাইল পানে, হচ্ছে কীসব ব্যাপার?
ওহ রিয়েলি! এই তাহলে কারণটা তার ক্ষ্যাপার!
ব্যাপারটা ভাই ভীষন জটিল, নয় যে মোটেও তুচ্ছ
বন্ধু আমার প্যান্ট ফুঁড়ে তার যাচ্ছে দেখা পুচ্ছ
স্ট্যাটাস ছিলো – ” যুদ্ধাপরাধ বিচার ঠিকই হবে
সবার সাথে আজ আমিও চাইছি বিচার , তবে..”
করলো কমেন্ট ত্যাদোড় ছেলে , ঘাড়টা করে ব্যাকা
“ঐ ছাগু, তোর লেজ খানা আজ যাচ্ছে ঠিকই দেখা!”
সেই যে শুরু , স্ট্যাটাস খানায় যাচ্ছে বয়ে Tide
লুকিয়ে রাখা ল্যাঞ্জা ইজ আ টাফ থিঙি টু হাইড!

রেগে আগুন, তেলে বেগুন বললো ছাগু তেড়ে –
“স্বচ্ছ আমি, আমাত্তে আর বুঝবে বেশি কে রে?”
হওনা যতই “স্বচ্ছ” তুমি, যতই প্যাঁচাও তেনা
লেজের ছাগু, লেজের ছাগী, তাই দিয়ে যায় চেনা।

( সুকুমার রায়ের “গোঁফ চুরি” থেকে অনুপ্রাণিত প্যারোডি )

উৎসর্গ: আমার অতি প্রিয় এক পুলিশ অফিসার বড় ভাইকে। সম্প্রতি কোর্টে বিশিষ্ট এক বরাহকূলশিরোমণিকে একান্তে পেয়ে যিনি জায়গামত রাম “চিপি” দিয়েছিলেন।

রাজাকার বধাবলী – ১৩
জানুয়ারি 5, 2013


[ দেশে আজো টেকা দায় ছাগুদের গন্ধে, চলো ছাগু বধে নামি, পাশবিক ছন্দে। রাজাকার ছানাপোনা, হয়োনাকো খুশি আর, আবারো জেগেছে জাতি, হুঁশিয়ার! হুঁশিয়ার!! ]

আকাশেতে , বাতাসেতে
শুনি কার হাহাকার?!
রাজাকার! রাজাকার !!

মীর জাফরীয় নীতি
মনে আজও তাজা কার ?!
রাজাকার! রাজাকার !!

কইয়ের তেলেতে কই
বেশি হলো ভাজা কার ?!
রাজাকার! রাজাকার !!

বাড়ি গিয়ে আড়ি পাতা
অভ্যাস আজো কার?!
রাজাকার! রাজাকার !!

পরিনতি ভেবে ভেবে
নামাজেতে কাযা কার ?!
রাজাকার! রাজাকার !!

সপাটেতে চড় খেয়ে
কান হলো ঝাঁঝাঁ কার ?!
রাজাকার! রাজাকার !!

বিম্পিও পরে এসে
টান দিল গাঁজা কার ?!
রাজাকার! রাজাকার !!

বিজয়ের মাসে এসে
ভেঙে গেছে মাজা কার?!
রাজাকার! রাজাকার !!

বল দেখি শিগগিরি
হয়ে যাবে সাজা কার?!
রাজাকার! রাজাকার !!

রাজাকার বধাবলী – ৮
ডিসেম্বর 18, 2010

[ দেশে আজো টেকা দায় ছাগুদের গন্ধে, চলো ছাগু বধে নামি, পাশবিক ছন্দে। রাজাকার ছানাপোনা, হয়োনাকো খুশি আর, আবারো জেগেছে জাতি, হুঁশিয়ার! হুঁশিয়ার!! ]

ডাকলো আবার হরতালও!, সব
“দেশপ্রেমী” উজবুকে
থুঃ মারি ঐ দলের উপর
থুঃ মারি তোর মুখে!

তুই রাজাকার বাঁচলি বহুত
আল্লাহ তা’লার কৃপায়
এবার বাছা যাইবি কুথায়
পাইছি তোরে চিপায়!

মইরা গিয়া বাঁইচ্যা গেছে
তোর রাজাকার বাপে
হচ্ছে এবার কবর খোঁড়া
তোর শরীরের মাপে!

আজরাইলেও আনসে নোটিশ
খুব ছোট তার আকার
লিখসে তাতে – “খুব অচিরেই
হইবো ফাঁসি সাকা’র”!

রাজাকার বধাবলী – ৭
অগাষ্ট 29, 2010

বিস্তারিত পাবেন: এখানে

আর কত ভাই জীবদ্দশায়
দেখমু এসব পিছলামি ?
আর কতকাল ধর্ম খায়া
বাঁচবো জামাত ইসলামী ?

আর কতবার খালদা আফা
জন্মাবো দুই কিস্তিতে?
যাই যতবার ভাবতে এসব
মুখ তিতা হয় খিস্তিতে।

রঙ করিয়া, ঢং করিয়া
বাড্ডে করেন দুইটা রে
চান কি তারে উইশ করি
ফেসবুকে আর টুইটারে? (বিস্তারিত…)

রাজাকার বধাবলী – ৬
অগাষ্ট 13, 2010

ত্রিমেরিক
———

১.
কালামেরে কাছে ডেকে মুজাহিদ চুরাটা
বলে- তুমি জানো নাকি “কাওসার” এ সুরাটা?
মওলানা টুপিটারে
খুলে বলে চুপিসারে
চেনা চেনা লাগে, তবে নাই জানা পুরাটা!

২.

আল্লাহ তাআলার খাস নিয়ামত এই আমাদের পা’টাই
তাই তো আমি গোলাম আযম, খুইলা জুতা “বাটা”ই
মিটিয়ে মনের আঁশ, চাটিতাম
পাক বাবাদের দাস খাটিতাম
আর ইদানীং ডাইকা শিবির দুই পা নিজের চাটাই!

৩.

গ্রহগুলো ভর করে আছে শুধু শনিতে
বোঝা যায় সেটা তার নানা আলাপনীতে
কী যে বলে কী যে বলে
শুধু ডাহা মিছে বলে
নাকি ব্যাটা ছিল কাঁচা স্কুলে পাটিগণিতে?

রাজাকার বধাবলী – ৫
এপ্রিল 7, 2010

ডরাইসে রে ডরাইসে

যুদ্ধাপরাধ গরাদ ভেঙে
ফিল্ডে যখন গড়াইসে
বুইঝা বিপদ মর নিজামী
দ্যাখ না কেমুন ডরাইসে

পাক চাটা ছাগ বাদ্দিয়া কাজ
দুই গালে দুই হাত দিয়া আজ
কাঁপতাসে আর ভাবতাসে কোন
পাগলা সাঁকো নড়াইসে
মন্ত্র আবার একাত্তরের
কোন নালায়েক ছড়াইসে!

দ্যাখ, নিজামি ডরাইসে!

হইতেসেনা শান্তিতে ভোজ
স্বপ্নে খালি দেখতেসে রোজ
মুক্তি নামের বিচ্ছুগুলা
মাল্য জুতার পড়াইসে
রাষ্ট্র নামের যন্ত্র(ণা) টা
উল্টা শূলে চড়াইসে!

দ্যাখ, নিজামি ডরাইসে!

“গন্ডগোল” এর ভন্ড ছাগল
মাথার ঘায়ে কুত্তা পাগল
হইয়া গিয়া দ্যাখ না কী সব
পায়জামাতে ঝরাইসে!
বীর বাঙালি আজকে আবার
বক্ষে কাঁপন ধরাইসে!

দ্যাখ, নিজামি ডরাইসে!

রাজাকার বধাবলী – ৪
এপ্রিল 4, 2010

নীতি গেলে রসাতলে তাতে কীইবা গেলো আর
এত ভেবে যায়নাতো হওয়া পাকা খেলোয়াড়
বুঝি তাই হামেশাই দু দু’খানা কামলায়
আপনার পিছে ঘুরে পাজামা’টা সামলায়?
খুবই খাসা, অভিযোগ নেই তাতে আজ আমার
শুধু বলি সবকিছু গিট্টু না পাজামার
কত আর দুধু খাবে জামাতের বিলাই এ
মনযোগ দিন এবার মুখখানা সিলাইয়ে
এত বুকাুদাগিরি লাগেনাতো ভালো আর
স্বাধীনতা যুদ্ধটা না পাজামা, সালোয়ার
ভাবে যারা তারা ঠিকই শেষে এসে পস্তায়
এদেশের মাটি কেনা নয় এত সস্তায়
চাইনা তা’ ঐ মুখে হোক সেটা খেলো আর
মুখ খানা সামলিয়ে কন কথা, দেলোয়ার!

রাজাকার বধাবলী – ৩
এপ্রিল 3, 2010

শেষ কিছুদিন পত্রিকাতে ছাপছে এসব কী স্টোরি
আপনে নাকি ভুইলা গেছেন এক বছরের হিস্টোরি?
তার আগে আর তার পরে যা, আসছে যখন যাই মনে
বইলা গেছেন, কিন্তু খালি একটা বছর নাই মনে?
শুইনা বড় দু:খ পেলাম, লাগলো বুকে কিক মতো
আপনে জনাব সুস্থ্য আছেন? হইতেসে ঘুম ঠিক মতো?

ভুইলা গেলে অতীত নিজের, হোকনা যতই কেস বাসি
ক্যামনে ফিরায় আনতে হবে সেইটা জানে দেশবাসী 😉

যা রটে তার সব ভুয়ামি, সব কিছু হয় গুল; তা’ না
তারচে’ বরং থাকতে স্মরণ কিনেন খাতা রুলটানা
সেই খাতাতে ডেইলি বাপের নাম লিখে যান তিনশোবার
এইটা জানেন সব সময়ে যায়না ভালো দিন সবার ?

নইলে যেদিন বদ বাঙালি করবে জুতা খুইলা দান
পাঙ্গা খায়া নামটা বাপের সেদিন যদি ভুইলা যান?

রাজাকার বধাবলী – ২
মার্চ 28, 2010

কইছে হ্যারা মাস্টরেরা, দেশটা যারা চালায়
ফান্দে নাকি পড়বে এবার সব রাজাকার হালায়
আম জনতার জ্বালায়
তাল তো ভালোই দিসেন তাতে শেখ হাসিনা খালায়

কিন্তু এখন সবতে কি াল ফালায়?
লুঙ্গি তুলে মীর কাশেম-এ নইলে কিবায় পালায়?

%d bloggers like this: